যশোর জেলা পরিষদ জেলার গরিব ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি দেয়ার জন্য নির্ধারিত সময়ে আবেদনপত্র আহ্বান করেছে।
যোগ্যতা : যেসব গরিব ও মেধাবী ছাত্রছাত্রী ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও এইচএসসি অথবা সমমানের পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে বর্তমানে বাংলাদেশের যে কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত, কেবল তারাই আবেদন করতে পারবে। আবেদনকারীদের মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক অথবা সমমানের পরীক্ষায় নূ্যনতম জিপিএ-৪.৭৫ (বিজ্ঞান বিভাগ), মানবিক ও বাণিজ্যবিভাগ থেকে নূ্যনতম ৪.৫০ পেয়ে পাস করতে হবে। এতে মুক্তিযোদ্ধা পোষ্য ও প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে জিপিএ-৩ থাকতে হবে। আবেদনকারী ছাত্রছাত্রীদের অবশ্যই যশোর জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। যেসব ছাত্রছাত্রীর অভিভাবকের বার্ষিক আয় ৭৫ হাজার টাকার নিচে, কেবল তারাই আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
আবেদনপত্রের সঙ্গে যা লাগবে : আবেদনকারীকে স্বহস্তে আবেদন ফরম পূরণ করে নিচের কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।
১. এসএসসি/এইচএসসি অথবা সমমানের পরীক্ষার মূল সনদপত্রের সত্যায়িত কপি।
২. নম্বরপত্রের সত্যায়িত কপি। ৩. সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের এককপি সত্যায়িত ছবি। ৪. আবেদনকারীর জন্ম সনদের সত্যায়িত কপি। ৫. ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/অফিস প্রধান (চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে) কর্তৃক প্রদত্ত অভিভাবকের বার্ষিক আয়ের সনদপত্র। ৬. মুক্তিযোদ্ধা পোষ্যদের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্রের সত্যায়িত কপি।
আবেদনপত্র সংগ্রহ : আবেদনপত্র অফিস চলাকালীন যশোর জেলা পরিষদ কার্যালয়সহ জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যাবে।
আবেদনপত্র জমা : বৃত্তির আবেদনপত্র সঠিকভাবে পূরণ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান অথবা বিভাগীয় প্রধানের সুপারিশসহ আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি তারিখের মধ্যে জমা দিতে হবে। ঠিকানা : প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ, যশোর।
যোগ্যতা : যেসব গরিব ও মেধাবী ছাত্রছাত্রী ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও এইচএসসি অথবা সমমানের পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে বর্তমানে বাংলাদেশের যে কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত, কেবল তারাই আবেদন করতে পারবে। আবেদনকারীদের মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক অথবা সমমানের পরীক্ষায় নূ্যনতম জিপিএ-৪.৭৫ (বিজ্ঞান বিভাগ), মানবিক ও বাণিজ্যবিভাগ থেকে নূ্যনতম ৪.৫০ পেয়ে পাস করতে হবে। এতে মুক্তিযোদ্ধা পোষ্য ও প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে জিপিএ-৩ থাকতে হবে। আবেদনকারী ছাত্রছাত্রীদের অবশ্যই যশোর জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। যেসব ছাত্রছাত্রীর অভিভাবকের বার্ষিক আয় ৭৫ হাজার টাকার নিচে, কেবল তারাই আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
আবেদনপত্রের সঙ্গে যা লাগবে : আবেদনকারীকে স্বহস্তে আবেদন ফরম পূরণ করে নিচের কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।
১. এসএসসি/এইচএসসি অথবা সমমানের পরীক্ষার মূল সনদপত্রের সত্যায়িত কপি।
২. নম্বরপত্রের সত্যায়িত কপি। ৩. সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের এককপি সত্যায়িত ছবি। ৪. আবেদনকারীর জন্ম সনদের সত্যায়িত কপি। ৫. ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/অফিস প্রধান (চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে) কর্তৃক প্রদত্ত অভিভাবকের বার্ষিক আয়ের সনদপত্র। ৬. মুক্তিযোদ্ধা পোষ্যদের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্রের সত্যায়িত কপি।
আবেদনপত্র সংগ্রহ : আবেদনপত্র অফিস চলাকালীন যশোর জেলা পরিষদ কার্যালয়সহ জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যাবে।
আবেদনপত্র জমা : বৃত্তির আবেদনপত্র সঠিকভাবে পূরণ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান অথবা বিভাগীয় প্রধানের সুপারিশসহ আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি তারিখের মধ্যে জমা দিতে হবে। ঠিকানা : প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ, যশোর।